|| The Dream ||

(My translation of স্বপ্ন by জীবনানন্দ দাশ)

Near my pearly lamp, with my manuscript kept close by
I had sat silently
Dew drops fell, falling off slowly and quietly
Descending from the Margosa branch, a most lonesome unknown bird

Flew into the mist – and from the mist, further into the mist afar
Snuffing my lamp with the draught of its wings’ wake, maybe
Groping in the darkness, I look for the matches, ever so tardily
Can you foretell when I light the lamp, whose face will be seen?

Whose face? That, behind the emblica branch
That, the horn shaped blue crescent had once upon a time seen
That, alas! this grey manuscript had once upon a time seen
That face is now the greyest in the memory of this earth

Yet, someday, after all the refulgence of this earth is extinguished
When all the fables of this earth will have been exhausted
Then, no more will exist man, but will only persist his dream
And, within that dream will survive that face, and I
© mikupa / 29 August 2015

The original poem

|| স্বপ্ন || – জীবনানন্দ দাশ

পান্ডুলিপি কাছে রেখে ধূসর দীপের কাছে আমি
নিস্তব্ধ ছিলাম ব’সে;
শিশির পড়িতেছিলো ধীরে-ধীরে খ’সে;
নিমের শাখার থেকে একাকীতম কে পাখি নামি

উড়ে গেলো কুয়াশায়, — কুয়াশার থেকে দূর-কুয়াশায় আরো।
তাহারি পাখার হাওয়া প্রদীপ নিভায়ে গেলো বুঝি?
অন্ধকার হাৎড়ায়ে ধীরে-ধীরে দেশলাই খুঁজি;
যখন জ্বালিব আলো কার মুখ দেখা যাবে বলিতে কি পারো?

কার মুখ? —আমলকী শাখার পিছনে
শিঙের মত বাঁকা নীল চাঁদ একদিন দেখেছিলো তাহা;
এ-ধূসর পান্ডুলিপি একদিন দেখেছিলো, আহা,
সে-মুখ ধূসরতম আজ এই পৃথিবীর মনে।

তবু এই পৃথিবীর সব আলো একদিন নিভে গেলে পরে,
পৃথিবীর সব গল্প একদিন ফুরাবে যখন,
মানুষ র’বে না আর, র’বে শুধু মানুষের স্বপ্ন তখনঃ
সেই মুখ আর আমি র’বো সেই স্বপ্নের ভিতরে।